iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

সিমনায় পিস্তল ও বিপুল গাঁজাসহ নেশা কারবারি গ্রেফতার

মোহনপুর, ১৩ জুন: ত্রিপুরা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিধাই থানাধীন সিমনার মনতলা এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে নেশা কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে একটি ৯ এমএম পিস্তল, ১৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হওয়ায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় মাদক কারবার এবং অবৈধ অস্ত্র মজুতের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি চলছিল। স্পেশাল ব্রাঞ্চের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) আশীষ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় পুলিশ, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), সিআরপিএফ এবং বিএসএফ-র সদস্যরা।

যৌথ বাহিনী সিমনার মনতলা এলাকার একটি বাড়িতে তল্লাশি চালালে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় একটি ৯ এমএম পিস্তল এবং ১৫ রাউন্ড কার্তুজ। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের বৈধ কোনও নথি দেখাতে না পারায় বাড়ির মালিক উত্তম দে-কে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেফতার দেখিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্রের সঙ্গে বৃহত্তর কোনও চক্র জড়িত থাকতে পারে। সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তদন্তকারীরা অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। অস্ত্রটি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কারা এর সরবরাহকারী এবং মাদক পাচারের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে, সে বিষয়েও খোঁজখবর শুরু হয়েছে।

শনিবার অভিযুক্ত উত্তম দেকে আগরতলার এনসিসি থানার মাধ্যমে মোহনপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাঁর রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে বলে সূত্রের খবর।

এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মোহনপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আশীষ দাশগুপ্ত জানান, উদ্ধার হওয়া মাদক ও অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “মাদক এবং অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও একইভাবে জোরদার করা হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত ও অপরাধমুক্ত রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।”

ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে এলাকায় মাদক ও অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *