iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

গুরু পূর্ণিমায় মা-বাবাই পরম গুরু : মন্ত্রী টিংকু রায়

আগরতলা, ২৯ জুলাই: গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্য বুধবার আগরতলায় পটু নগরের বাসুদেব মন্দিরে বর্ণাঢ্য গুরু সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, “যারা আমাদের কথা বলতে শেখান, পড়তে শেখান, নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখান এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জীবনে প্রতিষ্ঠা অর্জনের পথ দেখান, সেই মা-বাবাই আমাদের পরম গুরু।”

আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা তিথিতে মহর্ষি ব্যাসদেবের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে গুরু পূর্ণিমা উদযাপিত হয়। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী মহাভারত, বেদ ও পুরাণের রচয়িতা মহর্ষি ব্যাসদেবকে প্রথম আচার্য হিসেবে সম্মান জানানো হয়। তাঁর জন্মতিথিকে কেন্দ্র করেই গুরু পূর্ণিমা পালনের প্রথা প্রচলিত হয়েছে। এদিন শিক্ষক, আধ্যাত্মিক গুরু এবং জীবনের পথপ্রদর্শকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা নিবেদনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

এই উপলক্ষ্যে পটু নগরের বাসুদেব মন্দিরে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান, গুরু সম্মাননা এবং পূজার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোমতী কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়ন লিমিটেডের চেয়ারম্যান রতন ঘোষসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে মন্দিরের অধ্যক্ষ মহারাজকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, গুরু পূর্ণিমার দিনে মানুষ পরম ব্রহ্মের সান্নিধ্য লাভের আশায় আধ্যাত্মিক গুরুকে স্মরণ করেন। তবে তিনি বলেন, জীবনের প্রথম শিক্ষা, মূল্যবোধ এবং চলার পথ দেখান মা-বাবা। তাই তাঁদের প্রতিই সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো প্রত্যেক সন্তানের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সমাজে পারিবারিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সম্মানবোধ জাগ্রত রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। গুরু পূর্ণিমার মূল শিক্ষা হলো জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে সমাজকে আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ করে তোলা।

গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে এদিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় স্থানে বিশেষ পূজা, প্রার্থনা, ধর্মীয় আলোচনা এবং গুরু বন্দনার মধ্য দিয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *