iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার শোক জ্ঞাপন

আগরতলা, ৮ আগস্ট : পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন ছাড়াও পরবর্তী সময়ে তিনি সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। তাঁর প্রয়াণে পশ্চিমবঙ্গ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন, বিশিষ্ট লেখক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও প্রশাসককে হারাল। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং প্রয়াতের শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কলকাতার নিজ বাসভবনে প্রয়াত হন। এদিন সকাল ৮.২০ মিনিট নাগাদ পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ফুসফুসে সমস্যা ছিল। শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের দ্বিতীয় এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব।

উল্লেখ্য, গত ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্রে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তাঁকে শেষবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ১২ মিনিটের জন্য দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছিল। কর্মীদের মনোবল বাড়াতে অনুরোধ রক্ষা করতে সেখানে হাজির হয়েছিলেন তিনি। মঞ্চের নীচে গাড়িতেই বসেছিলেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর প্রয়াণে শোকের আবহ রাজনৈতিক মহলে। দল-মত নির্বিশেষে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতারা শোকপ্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *