iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

স্বপ্নের রাজহংসে ভাগ্য ফেরানোর বার্তা! কুঞ্জবন সেবক সংঘে পুজোর প্রস্তুতি শুরু

আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর : শারদোৎসবের ঢাকে কাঠি পড়তে আর বেশি দেরি নেই। পুজোর আর মাত্র ৪৩ দিন বাকি থাকতেই রাজধানী আগরতলার বিভিন্ন বনেদি ক্লাব ও পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতির তোড়জোড়। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে শারদোৎসবের প্রস্তুতি শুরু করল কুঞ্জবন সেবক সংঘ। এবারের পুজোয় তাঁদের বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে ‘স্বপ্নের রাজহংস’ থিম।

কুঞ্জবন সেবক সংঘের পুজোর বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। স্বপ্নে দেখা রাজহংসের ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হবে পুজো মণ্ডপ। কলকাতার নবদ্বীপের শিল্পী নেপাল মণ্ডল তাঁর শিল্পকুশলতায় এই বিশেষ থিমের মণ্ডপ গড়ে তুলবেন।

বৃহস্পতিবার খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়। ক্লাবের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমান অগ্নিমূল্যের বাজারে সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যেই এবারের পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। বাজেট সীমিত হওয়ায় পুজোর বিভিন্ন প্রস্তুতিতে ক্লাবের সদস্যরাই শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করবেন। নিজেদের শ্রম ও উদ্যোগের মাধ্যমে একটি আকর্ষণীয় পুজো উপহার দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য।

ক্লাবের জনৈক কর্মকর্তা জানান, এবারের থিম নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট আশাবাদী। ‘স্বপ্নের রাজহংস’ দর্শনার্থীদের কাছে যেমন নতুনত্বের স্বাদ দেবে, তেমনই এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শুভ ও ইতিবাচক বার্তার ভাবনাও। পুজোর দিনগুলিতে এই মণ্ডপ দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পুরাণ ও লোকবিশ্বাসে রাজহংসকে শুভ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। স্বপ্নে রাজহংসের আবির্ভাবকে অনেকেই জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন, সৌভাগ্য ও মানসিক শান্তির ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করেন। সেই শুভ ভাবনাকেই এবার পুজোর থিমের মাধ্যমে তুলে ধরতে চাইছে কুঞ্জবন সেবক সংঘ।

ফলে পুজোর দিনগুলিতে কুঞ্জবন সেবক সংঘের মণ্ডপে এসে দর্শনার্থীরা শুধু শিল্পসৌন্দর্যই উপভোগ করবেন না, ‘স্বপ্নের রাজহংস’-এর শুভ বার্তাও অনুভব করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা উদ্যোক্তাদের। সীমিত বাজেট, সদস্যদের স্বেচ্ছাশ্রম এবং অভিনব থিম—এই তিনের মেলবন্ধনে এবারের কুঞ্জবন সেবক সংঘের পুজো রাজধানীর পুজো মানচিত্রে কতটা নজর কাড়ে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে শহরবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *