iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

খার্চি মেলাকে কেন্দ্র করে চতুর্দশ দেবতা মন্দিরে জোর প্রস্তুতি

আগরতলা, ১৯ জুন : ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী খার্চি মেলা ও পূজাকে কেন্দ্র করে চতুর্দশ দেবতা মন্দিরে এখন জোর কদমে কাজ চলছে। ৩ জুলাই থেকে শুরু হবে খার্চি পূজা ও মেলা। বৃহস্পতিবার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মন্দির পরিদর্শনে যান পশ্চিম জেলার জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল।

আগামী ৩ জুলাই থেকে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার খয়েরপুরে চতুর্দশ দেবতা মন্দিরে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খার্চি পূজা ও মেলা। উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চতুর্দশ দেবতা মন্দিরে জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে। মন্দিরকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলতে রংয়ের প্রলেপের কাজ প্রায় শেষ। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে মন্দির চত্বরের ঝোপঝাড় সাফাইয়ের কাজ।

এদিন চতুর্দশ দেবতা মন্দিরের চণ্ডী পাঠক শরদিন্দু চক্রবর্তী জানান, ৩ জুলাই থেকে খার্চি মেলা ও পূজা শুরু হলেও মূলত ২৯ জুন থেকেই শুরু হয়ে যাবে পূজার আনুষঙ্গিক আচার-অনুষ্ঠান। সেদিন অনুষ্ঠিত হবে জ্ঞাতিভোজন। ৩০ জুন অনুষ্ঠিত হবে সংযম। ১ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে জারি পূজা। ২ জুলাই সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে চতুর্দশ দেবতা বিগ্রহের স্নানযাত্রা। এরপর দিন ৩ জুলাই ভোর সাড়ে পাঁচটায় বিগ্রহের স্নানযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে যাবে সাত দিনব্যাপী খার্চি মেলা ও পূজা । মেলাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানান মন্দিরের চণ্ডী পাঠক শরদিন্দু চক্রবর্তী।

এদিন খার্চি মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে চতুর্দশ দেবতা মন্দির পরিদর্শনে যান পশ্চিম জেলার জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। তিনি মন্দিরের প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, ৩ জুলাই থেকে খার্চি মেলা শুরু হচ্ছে। এর প্রস্তুতির কাজ চলছে। বর্তমানে চলছে মন্দির চত্বরে ঝোপঝাড় সাফাই এবং রং এর কাজ। কয়েক দিনের মধ্যেই বিভিন্ন দফতর তাদের কাজ শুরু করবে।

তিনি আরও জানান, এবছর খার্চি মেলাকে কেন্দ্র করে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মেলায় ৮৫০ জনের বেশি পুলিশ ও টিএসআর জওয়ান মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি থাকবে স্কাউট অ্যান্ড গাইড। সিসি ক্যামেরা এবং ওয়াচ টাওয়ারের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান পশ্চিম জেলার জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল।

প্রসঙ্গত, চতুর্দশ দেবতা মন্দিরের উন্নয়নের কাজে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক ১২ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। এই টাকায় উন্নয়নমূলক কাজ এখনও শুরু হয়নি। এই কাজ সমাপ্ত হলে নতুন রূপে সেজে উঠবে চতুর্দশ দেবতা মন্দির। এদিকে মূল মন্দিরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই। রাতে অন্ধকারেই ছেয়ে থাকে চতুর্দশ দেবতা মন্দির। অবিলম্বে মন্দিরে আলোর ব্যবস্থা করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *