iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

খারিফ মরসুমে এমএসপিতে ১৮ হাজার মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ত্রিপুরা সরকারের

আগরতলা, ২২ জানুয়ারি : ত্রিপুরা সরকার চলতি খারিফ মরসুমে কৃষকদের কাছ থেকে নূন্যতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) ১৮ হাজার মেট্রিক টন ধান ক্রয় করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। প্রতি কেজি ধান ২৩ টাকা ৬৯ পয়সা দরে কেনা হবে। আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ধর্মনগরে রাজ্যস্তরীয়ভাবে ধান ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ।

খাদ্যমন্ত্রী জানান, খারিফ মরসুমে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয়ের বিষয়ে খাদ্য দফতর ও কৃষি দফতর ছাড়াও মহকুমা শাসক, বিডিও-সহ বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক করা হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতি বছরই রবি ও খারিফ—উভয় মরসুমে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত মোট ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩০৩ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হয়েছে, যার জন্য রাজ্য সরকারের ব্যয় হয়েছে ৪৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা। এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন রাজ্যের ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৫৪ জন কৃষক। ধান ক্রয়ের জন্য নতুন পলিসি প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সেই নীতিমালা অনুযায়ীই এবারের ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে তিনি জানান।

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষি ও কৃষক কল্যাণমন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা এবং তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজ্যে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, কোনও রাজ্যের জিএসডিপি মূলত সেই রাজ্যের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতার উপর নির্ভরশীল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকনির্দেশনায় রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। তাঁর দাবি, পূর্বের তুলনায় রাজ্যে ধান উৎপাদন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান, আগামী ২৩ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের (ডোনার) মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া তিনদিনের রাজ্য সফরে আসছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে নতুন ডোনার-স্পনসরড উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, পর্যটন ক্ষেত্রের উন্নয়ন, বিভিন্ন পর্যটন স্থান পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা। তিনদিনের সফর শেষে আগামী ২৫ জানুয়ারি তিনি রাজ্য ত্যাগ করবেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতা স্বার্থ বিষয়ক দফতরের বিশেষ সচিব দেবপ্রিয় বর্ধন এবং অধিকর্তা সুমিত লোধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *