iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
National

একের পর এক ভোটে হেরে কংগ্রেস এখন দিশাহীন : অনুরাগ ঠাকুর

কাংড়া (হিমাচল প্রদেশ), ৪ নভেম্বর : কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতা তথা সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর অভিযোগ করেছেন, দেশের দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা দলটি এখন ভারতীয় গণতন্ত্রকে খণ্ডবিখণ্ড করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বুধবার হিমাচল প্রদেশের কাংড়ায় এক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেতর থেকে দুর্বল করতে কংগ্রেস চিনের কাছ থেকে আর্থিক তহবিল নিচ্ছে।

লোকসভায় কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অনুরাগ ঠাকুর বলেন, গণতন্ত্রের পবিত্র মন্দির সংসদে কংগ্রেস কার্যবিবরণী চলতে দিচ্ছে না এবং ক্রমাগত অচলাবস্থা তৈরি করে বিতর্কের দাবি তুলছে। একের পর এক নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাখ্যানের পর কংগ্রেস দল এখন দিশেহারা ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে। রাহুল গান্ধীর ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন নিয়ে করা অভিযোগের কড়া জবাব দিয়ে বিজেপি সাংসদ প্রশ্ন তোলেন, ২০২৪-এর নির্বাচন যদি ত্রুটিযুক্তই হবে, তবে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্যান্য কংগ্রেস সাংসদরা কেন ইস্তফা দিচ্ছেন না? তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাহুলের সহযোগীরা বুঝতে পেরেছেন যে, দেশে সংবিধান, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি সুরক্ষিত থাকলে তিনি কোনওদিনই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। সেই কারণেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, মিথ্যা রটনা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার কৌশল বেছে নিয়েছে কংগ্রেস।
পঞ্জাবে কংগ্রেসের ঘোষিত ‘ইনসাফ র্যালি’ প্রসঙ্গে সুর আরও চড়িয়ে অনুরাগ ঠাকুর বলেন, কংগ্রেসের উচিত গোটা দেশ ও পঞ্জাবের শিখ সমাজের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। ১৯৮৪ সালের নভেম্বর মাসের শিখ গণহত্যার ইতিহাস দেশ এখনও ভুলে যায়নি। কংগ্রেস নেতাদের নির্দেশেই সেই সময় শিখদের কেশ কর্তন করা হয়েছিল, গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল এবং মহিলাদের ওপর নৃশংস অত্যাচার ও ধর্ষণ চালানো হয়েছিল। পাঞ্জাবে দাঁড়িয়ে বিচার চাওয়ার আগে রাহুল গান্ধীর উচিত সেই নারকীয় গণহত্যার জন্য শিখ সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *