প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মন্দির নির্মানের নামে ছৈলেংটায় লটারি বিক্রির ধুম
স্টাফ রিপোর্টার, কুমারঘাট, ১১ সেপ্টেম্বর : ধর্ম আর ঠাকুরের নামে অবাধে চলছে লটারি নামক জুয়ার রমরমর। এতে পকেট ফাঁকা হচ্ছে আমজনতার। বাইক, গাড়ী সহ বিভিন্ন লোভনীয় পুরস্কারের ডালি সাজিয়ে মানুষের কাছ থেকে দেদার অর্থ লুটে নিজেদের আখের গোছাতো একাংশ ধান্দাবাজরা। কিন্তু রাজ্যে বর্তমানে প্রশাসন থেকে একেবারেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এসব লটারি খেলাকে। তবুও দৌরাত্ম্য কমছেনা এইসব ধান্দাবাজদের।
মন্দির নির্মানের নাম করে গাড়ী, বাইক, স্কুটি সহ বিভিন্ন আকর্ষনীয় উপহারের দ্বারা লটারীর বাজারে এবারে হাজির ধলাই জেলার ছৈলেংটা দূর্গা মন্দির সোসাইটি। তাদের দাবী তারা নাকি এই ভাগ্য লটারি বিক্রি করে পাওয়া টাকা মন্দিরের কাজে লাগাবে। আসলে এদের মূল উদ্দেশ্য হল মানুষের ভাগ্য যাচাইয়ের নামে অর্থ লোট আর নিজেদের ভাগ্যকে আগামীর জন্য নিশ্চিত করা। এদের কাছে নেই প্রশাসনের কোন অনুমতি পত্র।
তাদের দাবি লংতরাইভ্যালী মহকুমার মহকুমা শাসক তাদের অনুমতি দেয়নি তবে মৌখিকভাবে তাদের নাকি লটারির টিকিট বিক্রির অনুমতি দিয়েছেন মহকুমা শাসক।
আসলে এভাবেই মহকুমা শাসকের নাম ভাড়িয়ে সম্প্রতি প্রকাশ্যে অবাধে লটারি নামক জুয়া চালাচ্ছে ছৈলেংটা দূর্গা মন্দির সোসাইটির ধান্ধাবাজরা। আর এদের খপ্পরে পড়ে গাড়ী বাইক জেতার লোভে লটারির আড়ালে অজান্তেই জুয়ার নেশায় গা ভাসাচ্ছে অনেক সম্ভ্রান্ত পরিবারের লোকেরাও। বলতে গেলে প্রশাসনকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়েই ছৈলেংটায় লটারি খেলার নামে রাজ্যের আনাচে কানাচে ঘুরছে টিকিট বিক্রির জন্য প্রচার গাড়ী। আর এখান থেকেই নিজেদের পকেট ভারি করে তুলছে আয়োজকদের একাংশ।
অবশ্য এক শ্রেণীর রাজনৈতিক প্রভূদের আশীর্বাদ ছাড়া এদের এমন দুঃসাহস হবে তা মোটেও বিশ্বাসযোগ্য নয়। নিজেদের শিরদ্বারা সোজা রেখে ছৈলেংটায় হতে যাওয়া লটারী নামক প্রকাশ্য জুয়া বন্ধ করতে পারবে কি মহকুমা প্রশাসন? নাকি প্রভূদের তুষ্ঠ রাখতে বরাবরেই মতোই নতজানু হয়ে ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার বলে পরোক্ষভাবে অবৈধ লটারীর মদত দেবে তাই এখন দেখার। তবে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলের দাবি এসবের বিরুদ্ধে কঠোর হোক প্রশাসন। বন্ধ হোক লটারির নামে প্রকাশ্যে জুয়া।
