iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

বিলোনিয়ায় প্রচুর পরিমাণে নেশা সামগ্রী সহ গ্রেফতার দুই

বিলোনিয়া, ২৩ জুলাই : নেশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ত্রিপুরা সরকার। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিনিয়ত নেশার বিরুদ্ধে অভিযান জারি রেখেছে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা আরক্ষা প্রশাসন। নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে বিলোনিয়া থানার পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক এর নেতৃত্বে গোপন খবরের ভিত্তিতে বিলোনিয়ার মির্জাপুর সাহা কলোনি এলাকায় বাপন সাহার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে নেশা সামগ্রী এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে এই কাজে যুক্ত থাকার অপরাধে বাপন সাহা এবং তার সাগরেদ অভিজিৎ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত নেশা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৫৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট, প্লাস্টিকের কৌটা ভর্তি হেরোইন এবং নগদ ৮০ হাজার টাকা। এর আগেও পুলিশ নেশা সামগ্রী বিক্রির অপরাধে কুখ্যাত নেশা বিক্রেতা বাপন সাহাকে গ্রেফতার করে জেল হেফাজতে পাঠায়। কিন্তু তারপরও শুধরায়নি বাপন। জেল থেকে বের হওয়ার পর সে ক্রমাগত চালিয়ে যাচ্ছে এই নেশার ব্যবসা। তার সাথে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছে তার পরিবারও। বিলোনিয়া থানার পুলিশ বাপন ও তার সাগরেদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ড চেয়ে বুধবার বিলোনিয়া আদালতে প্রেরণ করেছে।

এই বিষয়ে বিলোনিয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জানান, সমাজকে নেশা মুক্ত করতে জোর প্রয়াস জারি রেখেছে পুলিশ। আজ একই সাথে বিলোনিয়ার আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হয়।এছাড়াও পি আর বাড়ি থানা এলাকায়ও একসাথে অভিযান চালায় পুলিশ। তিনি আরও জানান, বাপন সাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কারা কারা এই কাজে যুক্ত রয়েছে, কারা তার কাছ থেকে এই নেশা সামগ্রী কিনে নেয় এবং কোথা থেকে সে এই নেশা সামগ্রী নিয়ে আসে তা জানার চেষ্টা করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। উদ্দেশ্য একটাই নেশা মুক্ত সমাজ এবং নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গঠন করা।

তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে আবেদন জানান যেখানেই নেশা কারবারিদের দেখবে তা যেন গোপনে পুলিশকে জানায়। পুলিশও এই বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করবে। এছাড়াও সাংবাদিকদের কাছেও এই কাজে সহযোগিতা চেয়েছেন।

এদিকে বুধবার পি আর বাড়ি থানার অধীন অফিস টিলা এলাকায় বিশাল এলাকা জুড়ে চাষ করা প্রায় ৩৫ হাজার গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়েছে। এ বিষয়ে মহকুমা পুলিশ অধিকারিক জানান, এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে না পারলেও পুলিশ যার জায়গাতে গাঁজা চাষ করা হয়েছে সেই সম্পর্কে তদন্ত করছে। যদি মালিকানা ভিত্তিক জায়গা হয় তাহলে জায়গার মালিকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেশার বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে জারি থাকবে বলে জানান মহকুমা পুলিশ আধিকারিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *