বাম জমানায় রেশন কার্ড বন্ধক দিতে হত : মন্ত্রী বিকাশ
তেলিয়ামুড়া, ২৯ আগস্ট : দীর্ঘ ৩৫ বছরের কংগ্রেস সিপিআই(এম) শাসন ব্যবস্থায় অর্থের অভাবে দরিদ্র পরিবারগুলিকে রেশন কার্ড বন্ধক দিতে হত মহাজন কিংবা রেশন ডিলারের কাছে। কারোর অসুস্থতার কারণে কিংবা ছেলেমেয়েদের শিক্ষার জন্য। কিন্তু বর্তমানে এই চিত্রটা পাল্টে গিয়েছে বলে দাবি করলেন জনজাতি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া মহকুমা খাদ্য দফতরের অধীনে মহারানীপুর লক্ষ্মীপুর রেশন দোকান পরিদর্শনকালে এমনটাই জানালেন।
মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বিজেপি ২৯ কৃষ্ণপুর মণ্ডল এর সহ-সভাপতি গোপাল দাসকে সঙ্গে নিয়ে লক্ষ্মীপুর রেশন দোকান পরিদর্শন করেন। রেশন দোকানে গিয়ে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা রেশনের চাল, ডাল সহ যাবতীয় খাদ্য সামগ্রীর গুণগত মান যাচাই করেন। তিনি রেশন দোকান পরিদর্শনকালে জানান, বিগত সরকারের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সাধারণ জনগণের রেশন কার্ড বন্ধক দিতে হত। কারণ সেই সময়ের সাধারণ জনগণ আর্থিকভাবে দুর্বল ছিল। এমনকি যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্তরায় থাকার ফলে সঠিক সময়ে রেশন সামগ্রী তুলতে পারতেন না। এমনকি আর্থিকভাবেও দুর্বলছিল প্রত্যন্ত গ্রাম পাহাড়ের মানুষজনেরা। ফলে রেশন সামগ্রী কালোবাজারি ছিল তৎসময়ের ধারাবাহিক কর্মসূচি রেশন ডিলারদের। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে প্রকৃত রেশন কার্ড হোল্ডার ছাড়া রেশন সামগ্রী তুলতে পারবে না। আর তার ফলে রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি অনেকাংশে কমেছে।
তিনি আরও বলেন, গাড়ি বাড়ি যাদের রয়েছে বিগত ৩৫ বছরের প্রশাসনিক ব্যবস্থা তাদের পরিবারের মধ্যে দেওয়া হয়েছে বিপিএল কিংবা অন্তোদয় রেশন কার্ড। আর যারা প্রকৃত বিপিএল কিংবা অন্তোদয় রেশন কার্ড পাওয়ার যোগ্য তাদের পরিবারকে দেওয়া হয়েছে এপিএল রেশন কার্ড। কিন্তু বর্তমান সরকারের প্রশাসনের ব্যবস্থায় সেই চিত্রটা পাল্টে গিয়েছে। যারা বিপিএল কিংবা অন্তোদয় রেশন কার্ড পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে রেশন কার্ড প্রদান করা হচ্ছে।
