iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

হাঁপানিয়ার অশ্বিনী মার্কেটে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার

আগরতলা, ১২ জুলাই : পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার হাঁপানিয়াস্থিত অশ্বিনী মার্কেট এলাকা থেকে রবিবার জনৈক বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের নাম মণীন্দ্র সরকার (৬৫)। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে করা হলেও পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, মণীন্দ্র সরকারের বাড়ি অশ্বিনী ডি-ব্লক এলাকায়। তবে পারিবারিক মতপার্থক্যের জেরে গত প্রায় তিন বছর ধরে তিনি অশ্বিনী মার্কেট এলাকাতেই বসবাস করছিলেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের ছোটখাটো কাজকর্ম করে যা উপার্জন হতো, তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি। সম্প্রতি বাজারের ব্যবসায়ী মতি সরকারের নির্মীয়মাণ ভবনের একটি অংশে রাতযাপন করতেন ওই বৃদ্ধ।

রবিবার বাজারের জনৈক ব্যক্তি কাজের জন্য মণীন্দ্র সরকারকে ডাকতে গিয়ে তাঁর শোবার স্থানের কাছে জমাট বাঁধা রক্ত দেখতে পান। পরে কাছে গিয়ে তিনি মণীন্দ্র সরকারের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের জানানো হলে ঘটনাস্থলে ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে ছুটে আসেন মৃতের পরিবারের সদস্যরাও।

অশ্বিনী মার্কেট বাজার পরিচালন কমিটির সম্পাদক জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি দেখে প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। তবে তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় আমতলি থানার পুলিশ। পুলিশ রক্তাক্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ঘটনার পেছনে অন্য কোনও কারণ বা কারও জড়িত থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাঁপানিয়া ও অশ্বিনী মার্কেট এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *