iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

শুক্রবার থেকে তিন দিন ভিজবে ত্রিপুরা, স্বস্তির বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

আগরতলা, ২ এপ্রিল : ৪, ৫ এবং ৬ এপ্রিল ত্রিপুরার সব জেলায় স্বস্তির বৃষ্টিপাতের ইঙ্গিত দিল আইএমডির আগরতলা শাখা। তবে মার্চের মতো চলতি এপ্রিলেও রাজ্যে বৃষ্টিপাত কম হবে, যা রীতিমত চিন্তার বিষয়। বুধবার আগরতলা এমবিবি বিমানবন্দরস্থিত আবহাওয়া অফিসের প্রধান তথা অধিকর্তা ডঃ পার্থ রায় এই সংবাদ জানিয়েছেন।

সাধারণত মার্চ মাস থেকে ইন্ডিয়ান মেট্রোলজিকাল সেন্টার বা আইএমডি’র হিসেব মতে প্রাক বর্ষণ মরশুম শুরু হয়। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত চলতে থাকে এই প্রাক বর্ষণ মরশুম। এবছর গোটা মার্চ মাসে রাজ্যে মোট বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ৫.৪ মিলিমিটার। এই ঘটনা রীতিমত অবাক করার মত। কারণ মার্চ মাসে রাজ্যে গড় বৃষ্টিপাত হয় ৬৬.৮ মিলিমিটার। এবছর মার্চ মাসে সাধারণ বৃষ্টিপাত থেকে ৬১.৪ মিলিমিটার কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসেও রাজ্যে বৃষ্টিপাতের এই মন্দা ভাব চলতে থাকবে।

এদিন মেট্রলজিকাল সেন্টার আগরতলার প্রধান ডঃ পার্থ রায় জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজ্যের উষ্ণতম দিনটি ছিল ২৯ মার্চ। সেদিন রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ডঃ পার্থ রায় জানান, ২০১৪ সালের মার্চ মাসে রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড রয়েছে ৩৭. ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি জানান, বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় গত সাতদিন ধরে রাজ্যে যে শুষ্ক ও আদ্র আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল তা আপাতত প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টিপাত না হওয়ার এই ভয়ানক খবরের পাশাপাশি স্বস্তির খবর দিয়ে তিনি জানান, আগামী ৪, ৫ এবং ৬ এপ্রিল রাজ্যের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো জানান, সেইসাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ এই তিনদিন রাজ্যের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চলতি এপ্রিলে রাজ্যে শুষ্ক ও আর্দ আবহাওয়া কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রসঙ্গত, এই সময়ে রাজ্যে বৃষ্টিপাত হওয়া একান্ত প্রয়োজন। এতে তাপমাত্রা হ্রাস পেয়ে যেমন কিছুটা স্বস্তিদায়ক হবে, তেমনি চা পাতা এবং অন্যান্য ফসল চাষেও এই বৃষ্টি উপকারী হবে। ধূলোর মাত্রা কমে বাতাস কিছুটি হালকা হবে। সেই সাথে মশা মাছির উপদ্রবও অনেকটাই কমবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *