iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
ArticleBeautyEntertainmentHealthInternationalLead NewsNationalSportsTripuraUncategorized

করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় নিহত ৮১ জনের মরদেহ পড়ে রয়েছে ভুবনেশ্বর এইমসের ফ্রিজারে

অনলাইন ডেস্ক, ২৪ জুন।। ভারতের ওড়িশার বাহানাগা বাজার স্টেশনে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার তিন সপ্তাহ পার হয়েছে। এখনও ৮১টি মরদেহ পড়ে রয়েছে ভুবনেশ্বর এইমসের ফ্রিজারে। চলছে মরদেহ শনাক্তকরণের কাজ। আর তা করতে গিয়েই যেন নিত‌্য নতুন অংক উঠে আসছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

সূত্রের খবর, ৪১টি মরদেহের দাবিদার মোট ৮৪ জন। ৪০টি মতো মরদেহ বেওয়ারিশ, তাদের দাবিদার কেউ নেই। ১৩টি মরদেহের দাবিদার সব থেকে বেশি, ৩৬টি পরিবার। মরদেহ শনাক্তে ৪১ জনের লাশ এবং তার দাবিদার ৮৪ জনের ডিএনএর নমুনা পাঠানো হয়েছে দিল্লির সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল‌্যাবেরটরিতে (সিএফএসএল)। সেই রিপোর্ট এলেই হয়তো কিছু মরদেহ শনাক্তকরণের কাজ হবে। তবে কবে সেই রিপোর্ট আসবে তা অবশ‌্য জানাতে পারছে না এইমস কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, যে ১৩টি মরদেহের ৩৬ জন দাবিদার, তাদের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট দ্রুত চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আরও বিপত্তি হয়েছে একাধিক নিহতের দাঁত খৈনি, গুটখা খেয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ায়। তাদের ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষাতে সমস‌্যা হচ্ছে।

রেলসূত্রে খবর, দুর্ঘটনায় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলোর জন্য একাধিক দাবিদার আসছেন। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে শুরু হয়েছে জটিলতা। কোনও কোনও মরদেহের ছয়-সাতজন দাবিদারও এসেছে বলে খবর। ফলে তা নিয়ে রেল কর্মকর্তারা পড়েছেন সমস‌্যায়। ভুবনেশ্বর এইমস সূত্রে খবর, মূলত বাংলা ও বিহারের মানুষ এই মরদেহগুলো শনাক্তকরণের জন‌্য যাচ্ছেন। কিছু লোক আছেন ওড়িশার। তবে তা সামান‌্যই।

এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ৪০টি মরদেহ এতটাই বিকৃত অবস্থায় রয়েছে যে সেগুলো কেউ শনাক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন না। ফলে এই দেহগুলো পড়েই রয়েছে। এগুলোর আর কোনও ডিএনএ পরীক্ষা এখনই হচ্ছে না। কারণ কেউ দাবি না জানালে পরীক্ষা করার কোনও কারণ নেই। এগুলোর ভবিষ‌্যৎ কী তা পরিষ্কার করে বলতে পারছে না কেউ। জানানো হয়েছে, প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ‌্য, গত ২ জুন আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস, মেন লাইন থেকে আচমকাই লুপ লাইনে ঢুকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালগাড়িতে ধাক্কা মারে। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় করমণ্ডলের ২১টি বগি। সেই সময় ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল যশবন্তপুর এক্সপ্রেস। ওই ট্রেনেরও তিনটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০-র কাছাকাছি যাত্রী মারা গিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *