iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Lead News

মানিক্যনগরে ডাকাতি, মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তিন লক্ষ টাকা ও দশ ভরি স্বর্ণালংকার লুট

স্টাফ রিপোর্টার, বক্সনগর, ৬ আগস্ট।। পরিবারে লোকজনদের ঘরে আটকে হাত-পা বেঁধে ডাকাতি। প্রায় তিন লক্ষ টাকা নগদ ও ৯/১০ ভরি সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিল ডাকাত দল। শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বক্সনগর ব্লকের অন্তর্গত মানিক্যনগর পূর্ব পাড়ার উত্তম সাহার বাড়িতে। এহেন দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা মানিক্যনগর এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কলমচৌড়া থানার পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জানা গেছে শনিবার গভীর রাতে মানিক্যনগর এলাকার পূর্ব পাড়ার উত্তম সাহা সাহার ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঢুকে ডাকাত দল। বাড়িতে ঢুকে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের বেছে বেছে হাত-পা বেঁধে ফেলেন। প্রায় ৮-৯ জনের ছিল ডাকাত দলটি। হাতে তাদের ছিল ছুরি, বুঝালি, রামদা, আগ্নেয়াস্ত্র।

বাড়ির গৃহবধূ জানান দরজা ভাঙ্গার সাথে সাথেই বেরিয়ে আসি। ঘরে ঢুকেই মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে একটা ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রাখে বাড়ির সকলকে। এমনকি বাড়ির শিশুদেরও আটকে রাখে। মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তারপরই ডাকাতদল ঘরের এক একটি আলমারি ভেঙ্গে লুটপাট শুরু করে। আলমারির জিনিসপত্র লন্ডভন্ড করে। এমনকি বাড়ির জরুরী কাগজপত্র নিয়ে যায়।

জানা গেছে মেয়ের শশুর বাড়ি থেকে মেয়ের শাশুড়ি সহ আত্মীয়-স্বজনরা বেড়াতে এসেছিল। তাদেরকেউ ডাকাত দল ছাড় দেয়নি। তাদের মারধর এমনকি তাদের গলার চেইন,হাতের বালা নিয়ে যায় । তাদের একটি গাড়ি ছিল বাড়িতে। এই গাড়ির দুটি চাবিও নিয়ে যায় ডাকাত দল। তাদের একটি সারের দোকান রয়েছে। এই সারের দোকানে গতকাল কিছু বেচাকেনা হয়েছিল এই টাকাও নিয়ে যায়। সবমিলিয়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকা এবং আনুমানিক ৯/১০ ভরি সোনার গয়না নিয়ে গেছে।

এই ডাকাতির ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা মানিক্যনগর এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি দীর্ঘ অনেক বছর এই ধরনের ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি এলাকায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত গোটা এলাকার মানুষজন। পরে কলমচৌড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং তদন্ত শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশী ডাকাতরা এই ঘটনার সাথে জড়িত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *