iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
International

অর্থের অভাবে আংশিকভাবে অচল হয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর।। যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসে সরকারের ব্যয় মেটানোর জন্য অস্থায়ী বাজেটের বিল প্রত্যাখ্যান করেছেন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের কট্টরপন্থি রিপাবলিকান সদস্যরা। এতে করে প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে আংশিকভাবে অচল হয়ে যেতে পারে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম। শনিবার এ তথ্য জানায় বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার সংসদে অস্থায়ীভাবে সরকারকে অর্থায়নের জন্য প্রস্তাবিত একটি বিল প্রত্যাখ্যান করে রিপাবলিকান সদস্যরা। এতে করে রোববার (১ অক্টোবর) থেকে আংশিকভাবে অচল হয়ে যেতে পারে দেশটির ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সংস্থাগুলো। যার প্রভাবে অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে বাইডেন প্রশাসনেও। তবে হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি আশা ছাড়ছেন না। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আবারও ভোট হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত মার্কিন সরকারকে সচল রাখতে স্থানীয় সময় শুক্রবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে স্বল্পমেয়াদি তহবিল বিল পাসের চেষ্টা করা হয়। বিলের পক্ষে ভোট দেন ১৯৮ জন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ও বিপরীতে ভোট দেন ২৩২ জন। এই ২৩২ জনের মধ্যে আবার ২১ জন রিপাবলিকান পার্টির। নিজ দলের কারণেই এই বিলটি পাস হয়নি। গত এক দশকের মধ্যে চতুর্থ বারের মতো শাটডাউন হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রে। মার্কিন অর্থনীতিবিদদের ধারণা, দেশটিতে দুই থেকে চার সপ্তাহের শাটডাউন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

শাটডাউনের ফলে কোনো ধরনের আর্থিক প্রণোদনা ছাড়াই চাকরিচ্যুত হতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক লাখ সরকারি কর্মচারী। এমনকি কাজ করতে হবে বিনা বেতনে। আল জাজিরা জানায়, আসন্ন শাটাডাউনের ফলে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগ, পরিবহন বিভাগসহ বিভিন্ন খাত সরাসরি প্রভাবিত হবে। ফলে দেশটিতে সরকারি সেবা অনেকটাই কমে যেতে পারে।

গত সপ্তাহের শুরুতে মুডি’স অ্যানালিটিক্স সতর্ক করে দিয়েছিল যে, শাটডাউন মার্কিন সরকারের ক্রেডিট রেটিংকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে। সংস্থাটির রেটিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং এখনো ‘এএএ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। তবে গত মাসে ফিচ রেটিংসের জরিপে মার্কিন ক্রেডিট রেটিং এক ধাপ নিচে নেমেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *