iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

স্মার্ট মিটারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাল টিইসিএ

আগরতলা, ১১ জুলাই : বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অর্থ লুট করার স্মার্ট যন্ত্র স্মার্ট মিটারের বিরুদ্ধে এলাকায় এলাকায় আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাল ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের অভিযোগ, লাভজনক সংস্থা ত্রিপুরা স্টেট ইলেক্ট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেড (টিএসইসিএল) তথা বিদ্যুৎ নিগমকে ধীরে ধীরে এইভাবে অলাভজনক সংস্থায় পরিণত করে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

বিদ্যুৎ নিগমের স্মার্ট মিটার নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ধূমায়িত হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে বিদ্যুৎ নিগম জোর করে ভয় দেখিয়ে বা ভুল বুঝিয়ে বাড়ি বাড়ি স্মার্ট মিটার লাগিয়ে দিচ্ছে। এই স্মার্ট মিটারের বিদ্যুৎ বিল দেখে গ্রাহকরা অবাক হয়ে যাচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশন বা টিইসিএ সাংবাদিক সম্মেলন করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্ষোভ ব্যক্ত করেছে। সংগঠনের আহ্বায়ক সঞ্জয় চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেছেন স্মার্ট মিটার এবং ডিজিটাল মিটার পাশাপাশি বসাতে পারেন গ্রাহকরা। এই ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, ডিজিটাল মিটার যদি সঠিক থাকে তবে স্মার্ট মিটার কেন। কর্পোরেট হাউসগুলির লাভের জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি জানান, ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম একটি লাভজনক সংস্থা। একে ধীরে ধীরে অলাভজনক সংস্থায় পরিণত করে বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, এক একটি স্মার্ট মিটারের মূল্য প্রায় দশ হাজার টাকা। রাজ্যে বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছেন ১০ লক্ষ ২৬ হাজার। এই ক্ষেত্রে স্মার্ট মিটার বাবদ মোট অর্থ রাশির প্রয়োজন হবে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই টাকা গ্রাহকদের দিতে না হলেও বকলমে গ্রাহকদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করা হবে। বিদ্যুৎ নিগমের পাওয়ার পারচেজ এডজাস্টমেন্ট এর নামে বিদ্যুতের দাম ১১ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ জানান ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সঞ্জয় চৌধুরী। চলতি মাসের বিদ্যুৎ বিলের সাথে ফুয়েল চার্জ সহ অন্যান্য চার্জ যুক্ত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। এই অবস্থায় এলাকায় এলাকায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিওমার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আরও জানান, কোন গ্রাহক যদি স্মার্ট মিটার খুলে নেওয়ার আবেদন করতে চান তবে অ্যাসোসিয়েশনের কাছে এর নির্দিষ্ট ফর্ম রয়েছে। এই ফর্ম গ্রাহকরা সংগ্রহ করে জমা দিতে পারেন। পাশাপাশি যারা স্মার্ট মিটার লাগাতে চান না তাদের জন্যও নির্দিষ্ট আবেদন পত্র সংগঠনের কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে গ্রাহকরা টার্মস এন্ড কন্ডিশনে (শর্ত) স্বাক্ষর করেন। এই ট্রার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে (শর্ত) স্মার্ট মিটারের কথা উল্লেখ নেই। তাই এই স্মার্ট মিটার আইনবিরোধী বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *