iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

গ্রামীণ কর্মসংস্থান থেকে নারী ক্ষমতায়ন— নতুন বছরের পরিকল্পনা জানালেন সাংসদ রাজীব

আগরতলা, ১ জানুয়ারি : ইংরেজি নববর্ষ ২০২৬ উপলক্ষ্যে ত্রিপুরার জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার আগরতলায় বিজেপি রাজ্য সদর দফতরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সরকার ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত অগ্রগতি এবং রাজ্যের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক, পাপিয়া দত্ত, বিমল কান্তি চাকমা, তাপস ভট্টাচার্য, অমিত রক্ষিত এবং দলের মিডিয়া ইন-চার্জ সুনীত সরকার প্রমুখ।

রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, “এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত — এক ত্রিপুরা, শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা” এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই ২০২৫ সালে রাজ্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করেছে। সমাজের শেষ সারির মানুষের কাছে কল্যাণমূলক প্রকল্প পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য সুযোগ ও সুবিধা আরও বিস্তৃত করা হবে।

কেন্দ্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০২৫ সালের শীতকালীন অধিবেশনে আটটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হয়। এর মধ্যে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল বিকশিত ভারত—রোজগার ও আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বিল-২০২৫, যা লোকসভায় পেশ হয় ১৬ ডিসেম্বর। এই বিলের মাধ্যমে এমজিএনআরইজিএ-র অধীনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থান ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। কাজ না পেলে ১৫ দিনের মধ্যে বেকার ভাতা প্রদানের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প এখন কেন্দ্রীয় পৃষ্ঠপোষক, যেখানে ব্যয়ের অনুপাত সাধারণ রাজ্যে ৬০:৪০ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৯০:১০ নির্ধারিত।

রাজ্যের ২০২৫-২৬ সালের কল্যাণমূলক প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী উপজাতি উন্নয়ন মিশন, মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য বিকাশ যোজনা, সমন্বিত ফসল ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি এবং সামাজিক সহায়তা প্রকল্প—এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হল অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

নারী ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘আত্মনির্ভর ভারত, আত্মনির্ভর মহিলা’ বার্তার কথা উল্লেখ করে রাজীব ভট্টাচার্য জানান, নারী ও যুব কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন ঋণ প্রকল্প এবং স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৫-২৬ সালে বিপুল সংখ্যক যুবক-যুবতীকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও একাধিক সহায়ক প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

শেষে তিনি বলেন, উপজাতি ও অ-উপজাতি উভয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নই রাজ্য সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। আগামী দিনে নতুন উদ্যমে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *