iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

আগরতলায় যানজট ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে অভিযান

আগরতলা, ৩১ জানুয়ারি : শহরের ক্রমবর্ধমান যানজট ও ফুটপাত দখলের সমস্যা সমাধানে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল আগরতলা পুর নিগম। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শহরজুড়ে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু হবে। শনিবার আগরতলা পুর নিগমের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা জানান পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার।

মেয়র জানান, বর্তমানে আগরতলা শহরে যানজট একটি নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না, এমনকি মুমূর্ষ রোগী নিয়ে চলাচলকারী অ্যাম্বুলেন্সও প্রায়ই যানজটে আটকে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতি চললেও সম্প্রতি রাজ্য সরকার ও পুর নিগম কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছে।

মেয়র জানান, শুধু শহরের প্রাণকেন্দ্র নয়, গোটা আগরতলায় রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালানো হচ্ছে। এই বেআইনি দখলদারদের বিরুদ্ধে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই কঠোর অভিযান চালানো হবে। তিনি আরও জানান, অভিযানের বিষয়ে শনিবার থেকেই মাইকিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। স্পষ্ট ভাষায় মেয়র বলেন, ফুটপাত ও সড়ক দখল করে কোনও ধরনের ব্যবসা বরদাস্ত করা হবে না।

যানজট নিয়ন্ত্রণে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান মেয়র। তিনি বলেন, শহরের বিভিন্ন কভার ড্রেনের উপর ও রাস্তায় গাড়ি পার্ক করার প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়েছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কভার ড্রেনের উপর ও রাস্তায় পার্ক করা গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হবে। নির্দিষ্ট পার্কিং জোনে গাড়ি না রাখলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

মেয়র জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেও যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাফিক বিভাগকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক অনুরাগ ধ্যানকরও শহরের যানজট সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। তবে প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হল রাজ্যে দ্রুত হারে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এখনো ৩০–৩৫ বছরের পুরনো যানবাহনের চলাচল। পুলিশের বিভিন্ন থানায়ও ৩০ বছরের বেশি পুরনো সরকারি যানবাহন ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে রাজ্যে যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং যানজট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়টি এখনও কার্যত উপেক্ষিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *