iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Tripura

জরুরি অবস্থার কালো অধ্যায় নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে -সাংসদ বিপ্লব

আগরতলা, ২৮ জুন : “ত্রিপুরায় বড় মাত্রায় ইমার্জেন্সির সময়কার প্রাণীগুলি রয়েছে। তাদের পথ চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে। তাদের আর প্রয়োজন নেই। তারা অনেক করেছে।” শনিবার নজরুল কলাক্ষেত্রে কংগ্রেস দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া জরুরি অবস্থার অন্ধকার অধ্যায়ের ৫০ বছর প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথাগুলি বলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা লোকসভার বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। বিজেপির সদর শহর জেলা কমিটি উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

১৯৭৫ সালের ২৫ জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন। এ বছর ২৫ জুন এই জরুরি অবস্থার ৫০ বছর হয়েছে। জরুরি অবস্থার ৫০ বছরে তখনকার সময়ের বিভীষিকাময় দিনগুলির কথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ভারতীয় জনতা পার্টি দেশব্যাপী সেমিনার এবং আলোচনা সভার আয়োজন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবেই শনিবার ভারতীয় জনতা পার্টির সদর শহর জেলা কমিটির উদ্যোগে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

রাজধানীর নজরুল কলাক্ষেত্রে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা লোকসভার বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব বাম আমলে বাড়িঘরের তুলসী গাছ লাগানো নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, বাড়িতে তুলসী গাছ শুধু ধার্মিক কারণেই লাগানো হয় না। এর বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। বাড়িতে নিম ও তুলসী গাছ থাকলে বিশুদ্ধ হাওয়া থাকে। তিনি আরও বলেন, বাড়ি ঘরে সকালে গোবর জলের ছিটিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি অ্যান্টিসেপটিক এর কাজ করে।

জরুরি অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে সংসদ বিপ্লব কুমার দেব বলেন, “রাজ্যে এখনো বড় মাত্রায় ইমারজেন্সির প্রাণীগুলি রয়ে গেছে।তাদের চিরতরে বন্ধ করে দিতে হবে। তারা অনেক করেছে, এখন আর তাদের প্রয়োজন নেই।” তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা কাজ করছি। আগে রাজ্যের যাতায়াতের কোন রাস্তাই ছিল না।এখন ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ন্যাশনাল হাইওয়ের কাজ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনায় রাজ্যে প্রায় সাড়ে চার লক্ষ ঘর নির্মাণ হয়েছে। তিনি বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি কোন পারিবারিক পার্টি নয়। বৃহৎ পরিসরের পার্টি। তিনি জানান, ইমারজেন্সি সময়ের দিনগুলি ভয়ানক বিভীষিকাময় ছিল। এই বিষয়গুলি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *