iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Lead News

ত্রিপুরার পাহাড়ে ভাঙন, ৫,০৫০ জন যোগ দিলেন বিজেপিতে, টিটিএএডিসিতে ২৮ আসনেই জয়ের দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ১৩ ডিসেম্বর : ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চলে রাজনৈতিক ভাঙন আরও স্পষ্ট হল শনিবার। বিজেপি-এর জনজাতি মোর্চার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত যোগদান সভায় বিভিন্ন মণ্ডল থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি ভোটার বিজেপিতে যোগ দেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা ও প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যের হাত ধরে ৫,০৫০ জন বিজেপিতে যোগ দেন।

সভায় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি গুণ্ডা পার্টি নয়। বিজেপি মানুষের জন্য কাজ করে।” তিনি দাবি করেন, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শক্তির জোরে ক্ষমতায় এলেও জনজাতিদের প্রকৃত উন্নয়নের কথা ভাবেনি। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর থেকে ত্রিপুরায় জনজাতি সমাজের সার্বিক উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে।

কমিউনিস্ট ও কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালের আগে ‘কেন্দ্রে দোস্তি, রাজ্যে কুস্তি’ চলত। ২০১৮ নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ছেড়ে বহু কর্মী ‘মডেল ত্রিপুরা’ গড়ার লক্ষ্যে বিজেপিতে যোগ দেন বলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৩ নির্বাচনের আগে কমিউনিস্টদের সঙ্গে কংগ্রেসের হাত মেলানোও তিনি সমালোচনা করেন। নাম না করে তিপ্রা মথাকেও আক্রমণ করে প্রশ্ন তোলেন—২০১৮ সালে তারা কোথায় ছিল?

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এদিনের যোগদান সভা টিটিএএডিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়। তবে টিটিএএডিসি নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হলে খুমুলুঙে আরও বড় সভা করা হবে। তাঁর দাবি, টিটিএএডিসির ২৮টি আসনের সবক’টিতেই বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হবে এবং বিধানসভা নির্বাচনেও কুড়িটি আসন থেকেই জয়ের গণনা শুরু হবে।

একই সঙ্গে তিনি দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, “হাতের ফাঁক দিয়ে কিছু অবিশ্বাসী লোক ঢুকে পড়তে পারে।” যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন জনজাতি কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা, মন্ত্রী টিংকু রায়, প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

উল্লেখ্য, সভা থেকে আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে, আগামী দিনে টিটিএএডিসিতে মূল লড়াই হবে বিজেপি ও তার শরিক তিপ্রা মথার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ যোগ দিয়েছেন, আগামী দিনে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিজেপিতে যোগ দেবেন। তবে যোগদানকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দলের দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *