iframe id='adg_footer_pixel_script' src="//adgebra.co.in/afpf/afpf?p1=3496&p2=0&p3=1&p4=&p5=" width="0" height="0"frameBorder="0" scrolling="no" marginheight="0" marginwidth="0"/iframe
Lead News

ত্রিপুরায় হেলথ হাব গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ১ জুলাই : মঙ্গলবার আধুনিক পশ্চিমবঙ্গের রূপকার ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম এবং মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনটি সারাদেশে ন্যাশনাল ডক্টর্স ডে হিসেবে পালিত হচ্ছে। রাজ্যেও মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের উদ্যোগে এই দিবসটি পালন করা হয়। রাজধানী আগরতলা শহরের প্রজ্ঞা ভবনে এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামোর পরিবর্তনে সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সুপার স্পেশালিটিতে ২৫০ কোটি টাকা এখন পর্যন্ত খরচ করা হয়েছে।আগরতলা গভর্নমেন্ট ডেন্টাল কলেজের জন্য ২০২ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে একটি মাদার এন্ড চাইল্ড এর নতুন হাসপাতালের জন্য টাকা পাওয়া গেছে।আইএলএস হাসপাতালের পাশে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি চক্ষু হাসপাতাল হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, রাজ্যে বর্তমানে নয়টি সুপার স্পেশালিটি চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও হবে। হেলথ সার্ভিস রুলস সংশোধন করে বহিঃরাজ্য থেকে সুপার স্পেশালিস্টদের রাজ্যে আনার চেষ্টা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সবগুলি জেলায় নেশা মুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, দেশের অন্য কোন রাজ্যে না থাকলেও ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী জন্য আরোগ্য যোজনা চালু হয়েছে। একই সাথে চলছে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার কাজও। এই যোজনায় এখন পর্যন্ত ২৩৯ কোটি টাকা এবং মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, শান্তিরবাজার ও আমবাসায় ট্রমা কেয়ার সেন্টার চালু করা হয়েছে। উত্তর জেলাতেও ট্রমা কেয়ার সেন্টার চালু করা হবে। আমবাসায় কার্ডিয়াক কেয়ার সেন্টার চালু করা হয়েছে। ধীরে ধীরে প্রতিটি জেলা হাসপাতালে এই সেন্টার গড়ে তোলা হবে। রাজ্যে চিকিৎসকদের ঘাটতি পূরণ ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, আগে যেখানে সারা রাজ্যের জন্য তিনটি বা চারটি মেডিকেলের সিট আসত, এখন সেখানে সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে ৪০০ টি এমবিবিএস আসন রয়েছে। আগে ডেন্টাল এর জন্য একটি আসন পাওয়া যেত। এখন ৬৩ টি আসন বিডিএস এর জন্য রয়েছে। বিএসসি নার্সিং এর জন্য এখন ৫০ টি আসন রয়েছে। রাজ্যে হেলথ হাব গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশের সব চিকিৎসকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই কথা জানিয়ে ডক্টর্স ডে উপলক্ষে রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসকদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান স্বাস্থ্য পরিষেবায় সরকারের রেসপন্সিবিলিটি এবং পারফরম্যান্স দুটোই বেড়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *